6 Secret of Freelancing

ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হবার ৬ টা সিক্রেট

আমরা অনেকে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে চাই কিংবা অনেক দিন ধরে চেষ্টা করছি তবু ফ্রিল্যান্সিং এ সফল হতে পারছি না। এর কারণ গুলো হলো।

১. কনফিউসন: বেশির ভাগ সময় দেখা যায় যে আমরা অনেক কনফিউজড। যে আমি এটা করবো নাকি ওটা করবো। ডিজিটাল মার্কেটিং শিখবো নাকি প্রোগ্রামিং শিখবো। প্রোগ্রামিং শিখলে আগে জাভা শিখবো নাকি পাইথন শিখবো। এইটা শিখে আমি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবো কিনা। আমি বিদেশি কোম্পানি তে জব করতে পারবো কিনা। এই রকম চিন্তা করতে করতে দেখা গেছে আসল কাজ কিছুই করা হচ্ছে না।

তাই আজকে থেকে আপনার ডিসিশন নিতে হবে আপনি কোনটা করবেন। যেকোনো একটা চোজ করতে হবে আপনাকে। চিন্তা করেন বাঘ যখন তার খাবারের পিছনে ছোটে তখন একটা নিদ্রিষ্ট টার্গেটের পিছনে ছোটে। সে যদি সেটা না করে কিছুক্ষণ এটার পিছনে কিছুক্ষণ ওটার পিছনে ছোটে তাহলে কিন্তু তার কোনোটাই করা হবে না। ঠিক তেমনি আপনার বাঘের মত একটাই টার্গেট হবে ঠিক একটা জিনিস টার্গেট করে সেটা আপনাকে অ্যাচিভ করতে হবে।

 

২. অর্জেন্সি: আপনি যদি আর্জেন্সি ক্রিয়েট না করেন তাহলে অন্যরা তাদের আর্জেন্সী ক্রিয়েট করে আপনাকে ডিস্ট্রাক্ট করে ফেলবে। আর ওই ডিস্ট্রাকশন এ পড়লে আপনার আর কখনোই একশন নেয়া হবে না। তাই এখনই ডিসট্রাকশন ত্যাগ করে একশন নিতে হবে। চিন্তা করে দেখেন দুনিয়ার সবাই আপনার জন্য আর্জেন্সি ক্রিয়েট করে রেখেছে। ধরেন আপনি কিছু একটা কোর্স এর ভিডিও দেখা শুরু করলেন সাথে সাথে একটা ফোন কল আসলো। ওই ফোন কলটা আপনার অ্যাটেনশন নিয়ে আপনার আরজেন্সি তৈরি করে ফেলেছে যে এই ফোন কল টা আপনাকে রিসিভ করতেই হবে। আপনি কি করছিলেন সেটা থেকে আপনাকে সম্পূর্ণ ডিস্ট্রাক্ট করে সম্পূর্ণ ফোকাস তার দিকে নিয়ে গেছে। তো আপনি যদি আপনার কাজের আর্জেন্সি তৈরি না করতে পারেন তাহলে আপনার যেই কাজটা আছে সেটা আপনি সফল ভাবে কন্টিনিউ করতে পারবেন না।

 

৩. ইনভেস্ট টাইম টুডে: আমরা অনেক কিছু করতে চাই বেশিরভাগ সময় আমাদের স্বপ্নটা অনেক বড় হয়। যেটা কিনা ৬ মাস এক বছর দুই বছর পরে গিয়ে আসবে সেজন্য দেখা গেছে আজকে আমার যেই কাজটা করা দরকার সেটা করা হচ্ছে না। আপনি অনেক টাকা ইনকাম করতে চান তার জন্য যে আপনাকে আজকে কিছু একটা করতে হবে সেটা করছেন না।

 

৪. Create ডেইলি কন্ডিশন: আমাদের প্রতিদিনের রেগুলার একটা রুটিন থাকে যেমন খাওয়া দাওয়া, ঘুম, মোবাইলে ফেসবুক ইউজ করা। তাই এই ডেইলি যেই কাজ গুলো করেন সেটা কন্ডিশন হিসেবে রেখে আপনার যেই কাজটা করা উচিত সেটা আপনি আগে সেট করে রাখবেন। যেমন প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে মোবাইলে ফেসবুক চেক করেন সেটা না করে আগে আপনার কাজ টা শেষ করবেন এর পর বাকি সব কিছু করবেন।

 

৫. নেটওয়ার্ক with রাইট পিপল: ধরেন আপনি যেটা নিয়ে কাজ করেন আপনার সব সময় সেই related মানুষের সাথে মিশতে হবে। মনে করেন আপনি কাজ করেন ডিজিটাল মার্কেটিং এর উপর কিন্তু আপনার আসে পাশের সবাই গ্রাফিক্স নিয়ে কাজ করে তখন দেখবেন আপনার কোনো কিছুই তারা বুঝবে না। তাই আপনি যেই লাইন এ কাজ করেন আপনি সেই লাইনের লোকজনের সাথে থাকতে হবে এবং ওই লাইনে যারা সিরিয়াস। সেক্ষেত্রে তারা কি করছে সেটা দেখে আপনি ইন্সপায়ার হতে পারবেন। এর থেকে বড় হচ্ছে আপনি কোথাও আটকে গেলে প্রশ্ন করতে পারবেন।

 

৬. এনজয় the Journey: কারণ হচ্ছে আপনি যেই জার্নি টা পারি দিবেন সেটা অনেক লম্বা হবে। সব সময় যে ভালো সময় যাবে তেমন না। মাঝে মাঝে খারাপ সময় যাবে। মাঝে মাঝে আপনি যেটা চাচ্ছেন সেটা হবে না। তাই সব সময় ফুল জার্নি টা এনজয় করার চেষ্টা করতে হবে তখন দেখা যাবে একটা পদ্ধতি কাজ না করলেও আপনি বিকল্প পদ্ধতি বের করে ফেলতে পারবেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Shopping Cart